সখীপুরে চাঞ্চল্যকর সামিয়া হত্যার প্রধান আসামি সাব্বির গ্রেফতার


admin প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৩, ৮:৪৫ অপরাহ্ন /
সখীপুরে চাঞ্চল্যকর সামিয়া হত্যার প্রধান আসামি সাব্বির গ্রেফতার

সখীপুরে চাঞ্চল্যকর সামিয়া হত্যার প্রধান আসামি সাব্বির গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক :-
টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামে আলোচিত চাঞ্চল্যকর সামিয়া(০৯)হত্যাকান্ডের প্রধান ও একমাত্র আসামী সাব্বির(২১)কে গ্রেফতার করেছে সখীপুর থানা,জেলা ডিবি পুলিশের একটি চৌকষদল। সাব্বির দাড়িয়াপুর উত্তরপাড় গ্রামের আনোয়ার হোসেন ছট্টুর ছেলে। দীর্ঘ ২২ দিন এ মামলার নিষ্পত্তি হলো।বৃহস্পতিবার(২৮সেপ্টেম্বর)বিকাল ৫টায় সখীপুর থানা চত্বরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার সাংবাদিকদের হত্যাকারীর স্বীকারোক্তির আলোকে বিস্তারিত জানান। তিনি বলেন, নেশাগ্রস্থ সাব্বির দাড়িয়াপুর উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে টং দোকান করতো। দেনার দায়ে সে অপহরন করার পর মুক্তিপনের পরিকল্পনা করে। তাকে চিনে ফেলায় শ্বাসরুদ্ধ করে সামিয়াকে হত্যা করে,লাশ বাঁশঝাড়ে বাঁশের পাতার নিচে লুকিয়ে রাখে এবং রাতে জনৈক হেলাল এর ধান ক্ষেতের দক্ষিন পাশের ড্রেনে কেফারচালা আকাশী বাগানের উত্তরপাশে শিশু সামিয়া আক্তার(০৯)এর লাশ কাদা মাটি দিয়ে চাপা দিয়ে রাখে। খুনী সাব্বির শিশু সামিয়াকে খুন করার পর নতুন ইমু খোলে বাদীর নিকট ৫লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করে একটি ভয়েজ ম্যাসেজ পাঠায় এবং মোবাইলের সকল তথ্য মুছে ফেলে। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল থেকে মুছে ফেলা তথ্য পুনরায় উদ্ধার করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সাব্বির হত্যাকান্ডের কথা স্বীকার করে।সামিয়া হত্যাকান্ডের ২২দিন পর পুলিশ প্রধান আসামী ও একমাত্র আসামী সাব্বিরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। উল্লেখ্য,গত ০৬ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল জেলার সখীপুর থানাধীন দাড়িয়াপুর উত্তরপাড়া নিজ বাড়ি হতে শিশু সামিয়া(০৯)প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে সকাল অনুমান ৭ঘটিকায় দাড়িয়াপুর উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। প্রাইভেট পড়া শেষ হলে একই তারিখ সকাল ৯ঘটিকার সময় শিশু সামিয়ার বাবার ব্যবহৃত ইমু আইডিতে একটি ভয়েজ মেসেজ আসে যে,তার মেয়ে সামিয়াকে অপহরণ করা হয়েছে এবং ৫লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করা হয়। এ বিষয়ে অপহৃত শিশু সামিয়ার বাবা রঞ্জু বাদী হয়ে সখীপুর থানায় মামলা (নং০৩ তারিখ ০৭/০৯/২০২৩ ইং ধারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০(সংশোধনী-২০০৩) এর ৭/৮/৩০ রুজু করা হয়।