সখীপুরে জোড়া খুনের হত্যাকারীদের দ্রুতগ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত


admin প্রকাশের সময় : জুলাই ৩১, ২০২৩, ৪:৪৯ অপরাহ্ন /
সখীপুরে জোড়া খুনের হত্যাকারীদের দ্রুতগ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

সখীপুরে জোড়া খুনের হত্যাকারীদের দ্রুতগ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

খাঁন আহম্মেদ হৃদয় পাশা
স্টাফ রিপোর্টারঃ
টাঙ্গাইলের সখীপুরে জোড়া খুনের মামলার আসামীদের দ্রুততম সময়ে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩১ জুলাই) সকাল ১১ টায় সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের বাঘের বাড়ি হামিদপুর চৌরাস্তা বাজারে এ মানববন্ধন করেন কাকড়াজান ইউনিয়নবাসী।

এসময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত সিকদার,সখীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার কামাল লেবু,উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি ও সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া বাদল,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম কাজী বাদল,সখীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন সজীব,কাকড়াজান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব আঃ খালেক মাস্টার,
কাকড়াজান ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ দুলাল হোসেন ও কাকড়াজান ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম বিদ্যুৎ প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নিভৃত পল্লীতে দুর্বৃত্তদের হাতে নির্মমভাবে খুুন হওয়া চাচা মজনু মিয়া (৫০) ও ভাতিজা শাহজালাল (৪০) হত্যাকারীদের অতিদ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

উল্লেখ্য, নিহত শাহজালাল সখীপুর উপজেলার হামিদপুর চৌরাস্তা বাজারে বিকাশ-ফেক্সিলোড ও কসমেটিক্সের ব্যবসা করতেন। ঘটনার রাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে চাচা-ভাতিজা মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হত্যা কান্ডের শিকার হন।
নিহতদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি মরদেহের পাশে পড়েছিল। বুধবার (১৯ জুলাই) রাতে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের বাঘেরবাড়ি বাংলাবাজার এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত মজনু মিয়া বাঘেরবাড়ি গ্রামের নবু মিয়ার ছেলে এবং শাহজালাল একই গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।
এছাড়াও মানববন্ধনে নিহত মজনু মিয়া ও শাহজালাল এর এমন ন্যাক্কাজ্বনক হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও আসামিদের সনাক্ত করে দ্রুততম সময়ে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁশির জোর দাবি জানান প্রশাসনের প্রতি নিহতের পরিবার।